JanaBD.ComLoginSign Up
জানা হবে অনেক কিছু, চালু হয়েছে জানাবিডি (JanaBD) এন্ডয়েড এপস । বিস্তারিত জানুন..
Internet.Org দিয়ে ব্রাউজ করুন আমাদের সাইট ফ্রী , "জানাবিডি ডট কম"

রমজান মাসে কি খাবেন, কি খাবেন না!

লাইফ স্টাইল 6th Jun 2016 at 1:19pm 677
রমজান মাসে কি খাবেন, কি খাবেন না!

রোজা ফারসি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে উপবাস। সব ধর্মেই রোজা বা উপবাসের নিয়ম রয়েছে। এর রয়েছে স্বাস্থ্যগত নানা উপকারিতা।

এ সময় খাওয়া-দাওয়ার যেন ধুম পড়ে যায়। মানুষ অস্থির হয়ে পড়েন কী খাবেন আর কী খাবেন না-তা নিয়ে। কিন্তু রোজায় খাবার খেতে হবে পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর।

রোযার মাস এলেই বিকেল থেকেই ইফতারের জন্য নানা খাবার তৈরি ও বিক্রির হিড়িক পড়ে। হরেক রকম ইফতারির পসরা সাজিয়ে দোকানিরা রাস্তার ধারে ফুটপাতে, অলিগলিতে, হাটবাজারে বসে যায়।

অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি খাবারে পেটের অসুখ হয়। রাস্তাঘাটের পাশে, হাটবাজারে রকমারি শরবত তৈরি হয়।

অনেক ক্ষেত্রেই শরবত যে পানি দিয়ে বানানো হয় সেই পানি বিশুদ্ধ নয়। তাছাড়া ইফতারির জন্য তৈরি প্রায় সব খাবারই তেল ও উচ্চ চর্বিযুক্ত।

অসচেতনতায় এ সময় শুরু হয় অস্বাস্থ্যকর নানা খাবারের খাদ্যোৎসব। যা রোজাদারের কষ্টকে বাড়িয়ে দেয়। তাই জেনে নিন সেহরি ও ইফতারে কী খাবেন আর কী খাবেন না।

সেহরি :
প্রোটিন জাতীয় খাবার পানির তৃষ্ণা বাড়ায়। সারাদিন খাওয়া হবে না ভেবে অনেকে সেহরিতে ভূরিভোজ করেন।

খাবারের তালিকায় থাকে মাছ মাংসসহ হরেক পদের প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু মাছ-মাংস অর্থাৎ প্রোটিন জাতীয় খাবার পানির তৃষ্ণা বাড়ায়, যা রোজাদারের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়। এই গরমে সারাদিন তৃষ্ণাহীন ঝরঝরে অনুভূতি পেতে সেহরিতে ভাতের সঙ্গে শুধু সবজি (ভাজি বা ঝোল করে) খান। সেহরিতে অল্প হলেও খান। প্রয়োজনে খেজুর-কলা বা দই-চিড়াও খেতে পারেন।

ইফতার :
ইফতারে ভাজা-পোড়া, গুরুপাক ও অতিরিক্ত মশলাদার, রকমারি অস্বাস্থ্যকর খাবার যত কম খাওয়া যায় তত ভালো। বাজার থেকে কেনা ইফতারির চেয়ে ঘরে তৈরি খাবার তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ। এই গরমে সুস্থ থাকতে ইফতারে চিড়ার শরবত হতে পারে অনন্য পানীয়।

ইফতারের আগে চিড়া ভিজিয়ে রাখুন। বাদামী চিনি(আখের)অথবা আখের গুড় মিশিয়ে তা ইফতারিতে খাওয়া যেতে পারে।

এছাড়াও বাজারে এখন বিভিন্ন ধরনের ফল রয়েছে। এসব ফল দিয়ে করা যেতে পারে ইফতার। বোতলজাত জুস কিংবা শরবতের পরিবর্তে দুই/ তিনটি খেজুর খেয়ে পানি পান করতে পারেন। খেজুর ও পানি মিলে সুক্রোজ তৈরি করে, যা তাৎক্ষণিক প্রাণশক্তি এনে দেয়।

এছাড়া খেজুরে আছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্করা, চিনি, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আইরন, কপার, সালফার, ম্যাঙ্গানিজসহ নানা উপাদান।

তাই অনেকে ইফতারে ভাজা-পোড়া খাবারের পরিবর্তে খেজুর, পানি, ডিম ও কলা ও ফলমূল খেতে পছন্দ করেন।

রাতের খাবার :
রাতের খাবার শাক-সবজি, মাছ-মাংস, ডিম, ডালসহ অন্যান্য সুষম খাবার দিয়ে সেরে নিতে পারেন। ইফতারির পর থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বারে বারে পানি পান করার অভ্যাস করতে পারেন।

জানা হবে অনেক কিছু, চালু হয়েছে জানাবিডি (JanaBD) এন্ডয়েড এপস । বিস্তারিত জানুন..

Googleplus Pint
Noyon Khan
Manager
Like - Dislike Votes 5 - Rating 6 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)