JanaBD.ComLoginSign Up

আপনার কর্মস্থলের পরিবেশ কি অসুস্থ? ১০ লক্ষণে মিলিয়ে নিন

লাইফ স্টাইল 27th Jun 2016 at 4:21am 120
আপনার কর্মস্থলের পরিবেশ কি অসুস্থ? ১০ লক্ষণে মিলিয়ে নিন

চাকরি করার জন্য কর্মস্থলের সুস্থ পরিবেশ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়। আপনি যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন যেখানে সুস্থ পরিবেশ নয় বরং বিষাক্ত পরিবেশ বিদ্যমান তাহলে কী করবেন?

এক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে দ্রুত সে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করা। এ লেখায় তুলে ধরা হলো বিষাক্ত কর্মস্থলের ১০ নমুনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফোর্বস।

১. ছুটির পলিসি
আপনি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন তাদের নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী। এরপর আপনার ব্যক্তিগত সময়। এ সময়ে আপনি কী করলেন তা নিয়ে প্রতিষ্ঠানের মাথাব্যথা থাকা উচিত নয়। এ সময় আপনি মাছ ধরেন নাকি লেখালেখি করেন, তা নিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রশ্ন তোলা উচিত নয়।

একইভাবে আপনার যদি বাড়তি অর্থের জন্য অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে হয় তাহলে সেজন্য কোনো আপত্তিও থাকা উচিত নয়।

২. স্ট্যাক র্যাংকিং
স্ট্যাক র্যাংকিং কিংবা বাধ্যতামূলক র্যাংকিং মূলত একটি ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি। এটি ১৯৮০ দশকে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

এ পদ্ধতিতে কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত র্যাংকিং করতে হয়। এক্ষেত্রে প্রত্যেক ম্যানেজারকে বলা হয় কর্মীদের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত ওয়ান-ডায়মেনশনাল পদ্ধতিতে র্যাংকিং করতে। যদিও কোনো প্রতিষ্ঠানে বহু ধরনের যোগ্যতার ভিত্তিতে বহু কর্মী থাকেন। মাত্র একটি তালিকায় তাদের র্যাংকিং করা উচিত নয়।

৩. ড্রেস কোডের বাড়াবাড়ি
স্বাধীন ব্যক্তি হিসেবে আপনার নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরার স্বাধীনতা থাকা উচিত। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ড্রেস কোড তৈরি করে। এগুলো মূলত শিশুসুলভ বিষয়। স্কুলেই তা মানায়। আপনি যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন যেখানে ড্রেস কোডের বাড়াবাড়ি রয়েছে তাহলে সে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করাই উচিত।

৪. আইডিয়ার মালিক প্রতিষ্ঠান
প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানেই কর্মীরা নানা সৃজনশীল কাজ ও আইডিয়ার সমাবেশ ঘটাতে পারে। তবে এসব আইডিয়া ও সৃজনশীল কাজের মালিকানা সে কর্মীরই থাকা উচিত।

আপনি যদি নিজস্ব আইডিয়ার মালিকানা রাখতে চান তাহলে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করবেন না।

৫. কড়া অ্যাটেনডেন্স পলিসি
অনেক প্রতিষ্ঠানই কর্মীদের উপস্থিতির ব্যাপার অত্যন্ত কঠোর। কিন্তু কোনো যৌক্তিক কারণে কর্মক্ষেত্রে দেরি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি মোটেই ভালো লক্ষণ নয়। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি দেরির জন্য কর্মীদের বেতন থেকে অর্থ কর্তন করে কিংবা অন্য কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেয় তাহলে তা মোটেই ভালো নয়।

কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে আপনার যদি বাড়তি বাড়াবাড়ি চোখে পড়ে তাহলে বুঝতে হবে, প্রতিষ্ঠানটি ভালো নয়।

৬. বেল-কার্ভ পারফর্মেন্স রিভিউ
এটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পারফর্মেন্স যাচাই করার একটি পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে প্রত্যেক বিভাগীয় প্রধানকে তাদের কর্মীদের পারফর্মেন্স প্রকাশ করতে দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে অত্যন্ত ভালো বা এক্সিলেন্ট পারফর্মেন্স সীমিত রাখা হয়। কোনো বিভাগে বহু মানুষও ভালোভাবে কাজ করলেও তাদের সে কাজের স্বীকৃতি দেওয়া সম্ভব হয় না।

৭. ভুল পলিসি
কাজের ক্ষেত্রে মানুষ মাত্রই ভুল করে। কিন্তু কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান কর্মীদের এ ভুল মেনে নিতে পারে না। এক্ষেত্রে তারা নানা ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়। আপনি যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন যেখানে কাজে ভুলের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি রকমের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা রয়েছে তাহলে সতর্ক হয়ে যান। আপনি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে এসেছেন, জেলখানায় নয়। তাই এমন প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করাই ভালো।

৮. ভ্রমণ
আপনি যদি এমন কোনো কাজ করেন যেখানে প্রায়ই ভ্রমণ করতে হয় তাহলে প্রতিষ্ঠান থেকে সেজন্য যথাযথ সম্মানী বুঝে নিতে ভুলবেন না। ভ্রমণের ক্ষেত্রে সর্বদাই প্রতিষ্ঠানের উচিত ভ্রমণকালটিকে কর্মঘণ্টা হিসেবে বিবেচনা করা।

প্রতিষ্ঠান যদি তা না করে আপনাকে বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণে বাধ্য করে তাহলে সে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করাই মঙ্গল।

৯. মৃত্যুতে কড়াকড়ি
যে কোনো প্রতিষ্ঠানেরই উচিত কর্মীদের নিকটআত্মীয়ের মৃত্যুতে যথাযথ ছুটি দেওয়া। কিন্তু তা যদি না দেয় কিংবা দিতে আপত্তি করে তাহলে বুঝতে হবে, প্রতিষ্ঠানটি মোটেই ভালো নয়।

১০. ম্যানেজারের সিদ্ধান্তে ট্রান্সফার
কর্মীদের ট্রান্সফারের বিষয়ে সব সময়েই তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কিন্তু সে নিয়মটি না মেনে যদি অন্য কোনো উপায়ে ট্রান্সফার করা হয় তখন তা কর্মীদের জন্য সত্যিই বিব্রতকর হয়ে ওঠে। আপনি যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠানে থাকেন যেখানে এমন ঘটনা ঘটে, সে প্রতিষ্ঠানটি ত্যাগ করার চিন্তা করুন।

Googleplus Pint
Noyon Khan
Manager
Like - Dislike Votes 2 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)