JanaBD.ComLoginSign Up

বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯ ল্যাপটপ চুরি!

দেশের খবর 11th Jul 2016 at 9:56pm 368
বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯ ল্যাপটপ চুরি!

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ডামুড্যা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলতি বছরের ২৪ মে ১৭টি ল্যাপটপ সম্বলিত ল্যাব প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয় থেকে “সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন প্রকল্প” ডামুড্যা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ল্যাব স্থাপন করে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ তা বাস্তবায়ন করে। অথচ সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা স্থায়ী হলো না। ল্যাব প্রদানের ১ মাসের মাথায় ১৭টি ল্যাপটপের ৯টি চুরি হয়ে গেল।

ডামুড্যা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জানা যায়, ১৯৮২ সালে ডামুড্যা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। ২০১৩ সালে বিদ্যালয় ভবনের জীর্ণ দশা দেখে স্থানীয় সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক এমপি তার পিতা জাতীয় বীর আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক এর নামে একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ১৭টি ল্যাপটপ সম্বলিত একটি ল্যাব এর ব্যবস্থা করেন।

যাহা নতুন ভবনে স্থাপন করা হয়। বিদ্যালয়ে খন্ডকালিন নৈশ্য প্রহরী থাকা স্বত্বেও গত ২৯ জুন রাতে নতুন ভবনের দরজা ভেঙ্গে ল্যাবে থাকা ১৭টি ল্যাপটপের ৯টি চুরি হয়ে যায়। ল্যাবে থাকা ১৭টি ল্যাপটপের ৯টি চুরি হওয়ার কারণ বুঝতে পারেনি শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কেউ।

বিষয়টি উপজেলা ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও থানায় অবগত করা হয়েছে। ডামুড্যা থানায় অজ্ঞাত আসামী করে চুরির ঘটনায় মামলা ও হয়েছে। অথচ ১৩ দিনেও ল্যাব চুরির বিষয় উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ কালে জানায়, বিদ্যালয়ে ল্যাব আসায় আমরা খুব খুশি হয়েছিলাম।

আমাদের কম্পিউটার শিক্ষক মাঝে মধ্যে ল্যাবে নিয়ে আমাদের কম্পিউটার শিক্ষা দিত। ল্যাব থেকে ল্যাপটপ চুররি ঘটনা আমাদের মনে বড় ব্যথা দিয়েছে। যে কটি ল্যাপটপ অবশিষ্ঠ রয়েছে তা দিয়েই আমরা কম্পিউটার ক্লাশ চালিয়ে যেতে চাই। শেষ সম্বল যেন চুরি না হয় সে দিকে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমদাদ হোসেন বলেন, আমার বিদ্যালয় নিন্ম মাধ্যমিক। ৫ জন শিক্ষক এমপিও ভুক্ত। কোন নৈশ্য প্রহরী নাই। স্থানীয় ইউনুছ খান নামে একজন খন্ডকালিন নৈশ্য প্রহরী নিয়োগ দিয়েছি। তারপরেও বন্ধের মধ্যে প্রতিদিন আমি বিদ্যালয়ে আসতাম।

২৯ জুন রাতে ক্লান্ত ছিলাম তাই নৈশ প্রহরীর সাথে ফোনে কথা হয় নাই আর ওই রাতেই ল্যাবে চুরি হয়। চুরির বিষয় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, থানা ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদকে জানিয়েছি। তাদের পরামর্শে থানায় মামলা করেছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নৈশ্য প্রহরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। নৈশ্য প্রহরী এখনও কর্মরত রয়েছে।

ডামুড্যা থানা অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ল্যাব থেকে ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় অজ্ঞাত আসামী করে মামলা হয়েছে। মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। কোন আসামী গ্রেপ্তার বা ল্যাপটপ উদ্ধার হয়নি।

Googleplus Pint
Noyon Khan
Manager
Like - Dislike Votes 4 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)