JanaBD.ComLoginSign Up

Internet.Org দিয়ে ব্রাউজ করুন আমাদের সাইট ফ্রী , "জানাবিডি ডট কম"

আড়াইহাজারে বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ২০

দেশের খবর 5th Aug 2016 at 10:17pm 177
আড়াইহাজারে বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ২০

শুক্রবার বিকালে উপজেলার বিশনন্দী ইউনিয়নের বিশনন্দী মধ্যপাড়ায় এই সংঘর্ষ হয়।

ওই সময় গোপালদী পৌর মেয়রের গাড়িসহ বরপক্ষের পাঁচটি গাড়ি ভাংচুর করা হয়। গোপালদী পৌরসভার মেয়র এম এ হালিম সিকদারকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৫০ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।

স্থানীয় এক যুবলীগ নেতা বিয়ের কনেকে তুলে নিতে এলে এই সংঘর্ষ বাধে বলে কনের বাবার অভিযোগ।

আহত আরজু (৩৮), রুহুল আমিন (২৬), সফিকুল (৩০), আক্তার (২৮) ও খাইরুল (২২) ও ডালিম সিকদারকে মাধবদী ও নরসিংদীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরও ১০/১২ জনকে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

আড়াইহাজার থানার এসআই রাকিবুল হাসান জানান, বিকাল ৩টার দিকে বিশনন্দী মধ্যপাড়া এলাকার রিপন মিয়ার মেয়ে সোনিয়া আক্তারের সঙ্গে গোপালদী পৌরসভার রামচন্দ্রদীর আলী মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে বিশনন্দী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আরজু হোসেন ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় দুই শতাধিক লোক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিয়েবাড়িতে হামলা চালিয়ে কনেকে অপহরণের চেষ্টা চালায়।

“ওই সময় কনে ও বরপক্ষ মিলে বাধা দিলে হামলাকারীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়।”

এসআই রাকিবুল বলেন, ঘটনার সময় ২০/২৫টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। হামলাকারীরা বরপক্ষের অতিথি গোপালদী পৌরসভার মেয়র এম এ হালিম সিকদারকে একঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে এবং তার গাড়িসহ বরযাত্রীদের পাঁচটি গাড়ি ভাংচুর করে।

“খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শটগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে।”

এসআই রাকিবুল আরও জানান, আড়াইহাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সফিউল আজমসহ চার পুলিশ সদস্য হামলাকারীদের ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।

“হাতবোমা ও গুলিবিদ্ধ কয়েকজনকে মাধবদী ও নরসিংদীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।”

গোপালদী পৌর মেয়র এম এ হালিম সিকদার বলেন, বিয়েবাড়িতে বর যাত্রীদের সঙ্গে দাওয়াতে গেলে বিশনন্দী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আরজু লোকজন নিয়ে হামলা চালান এবং তার গাড়িসহ অন্যান্য বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করেন।

হামলার অভিযোগের বিষয়ে বিশনন্দী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আরজু হোসেন বলেন, সম্প্রতি তার ভাই করিম হোসেনের ছেলে রুহুল আমিন রনির সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ের কথা পাকাপাকি হয়। কিন্তু কনেপক্ষ তাদেরকে না জানিয়ে রামচন্দ্রদীর দুলালের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করে।

“এ নিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করতে গেলে সংঘর্ষ বেধে যায়।”

কনের বাবা রিপন মিয়ান বলেন, শুক্রবার বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে কনেকে তার স্বামী দুলাল মিয়ার সাথে আগেই তার শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আরজু হোসেনের ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে বিয়ে পাকাপাকি হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

আড়াইহাজার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

Googleplus Pint
Noyon Khan
Manager
Like - Dislike Votes 4 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)