JanaBD.ComLoginSign Up

শয্যাদৃশ্যে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলেন বিনোদ খান্না!

বিবিধ বিনোদন 27th Aug 2016 at 9:22pm 800
শয্যাদৃশ্যে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলেন বিনোদ খান্না!

বিনোদ খান্না যখন সাফল্যের শীর্যে তখন হঠাৎ একদিন অভিনয় ছেড়ে উনি সন্ন্যাসী রজনীশের আশ্রমে চলে যান। সেখানে বেশ কয়েক বছর সাধনা করে কাটানোর পর উনি আবার বলিউডে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। সেইমতো উনি তার বেশ কিছু পরিচালক-প্রযোজক বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা কয়েকটা ছবি সই করেন বিনোদের সঙ্গে। তার মধ্যে একজন হলেন তার পুরনো বন্ধু মহেশ ভট্ট। উনি বিনোদকে তার পরবর্তী দুটো ছবির জন্য সই করলেন‚ ‘ জুরম‘ আর ‘প্রেম ধর্ম‘। এই ছবির প্রযোজক ছিলেন হেমা মালিনীর কাকা। এই ছবিতে হেমা ছাড়াও ছিলেন ডিম্পল কাবাডিয়া।

একই সঙ্গে কয়েকটা ছবির শ্যুটিং করছিলেন বিনোদ। এই কারণে তাকে ডবল শিফট করতে হতো। মানে সকালে একটা ছবির অভিনয় আবার রাতে অন্য ছবির অভিনয়। এই সময় একদিন মহেশ ঠিক করলেন ‘ প্রেম ধর্ম ‘ ছবির শ্যুটিং রাতেরবেলা করবেন। এটা একটা বেড সিন ছিল যেখানে বিনোদ প্রথমে ডিম্পলকে বেশ কয়েকবার চুম্বন করবেন তারপর তাকে জড়িয়ে ধরবেন। সেট সাজিয়ে সবাই বিনোদের জন্য অপেক্ষা করছিল। খানিক্ষণ পরে বিনোদ এসে উপস্থিত হন এবং এই ছবির সেটে ঢোকেন। যেহেতু রাতের দৃশ্য তাই আধো অন্ধকারে ঢাকা ছিল চারিদিক। বিনোদ পোশাক পরিবর্তন করে বিছানায় ডিম্পলের পাশে নিজের পোজিশন নিলেন। পরিচালক ‘ অ্যাকশন‘ বলা মাত্র বিনোদ ডিম্পলকে চুমু খেতে শুরু করলেন এবং তারপর জড়িয়ে ধরলেন। মহেশ এই দৃশ্য আরো একবার নেবেন ঠিক করলেন তবে এবার খানিকটা দূর থেকে।

তাই মহেশ এবং তার ক্যামেরাম্যান সব প্রস্তুতি নিয়ে আবার এই দৃশ্যের শ্যুটিং শুরু করলেন খানিকটা দূর থেকে। দূরত্ব বেড়ে যাওয়ার ফলে আগের থেকে জোরে মহেশকে অ্যাকশন বলে চিৎকার করতে হলো। এবং মহেশের নির্দেশ পেয়ে বিনোদ আবার ডিম্পলকে চুমু খেতে শুরু করলেন। যে মুহূর্তে উনি ডিম্পলকে জড়িয়ে ধরলেন মহেশ চিৎকার করে দৃশ্য শেষ হওয়ার নির্দেশ দিলেন। কিন্তু বিনোদ তা শুনতে পেলেন না। উনি আবার নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিলেন ডিম্পলের ঠোঁটে এবং দৃঢ় আলিঙ্গনে জড়িয়ে ধরলেন ডিম্পলকে।

এতে ডিম্পল বেশ ঘাবড়ে যান কারণ বিনোদ মহেশের নির্দেশ না শুনতে পেলেও উনি তা পেয়েছিলেন। উনি নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করেন। কিন্তু বিনোদ তাকে এতটাই দৃঢ়ভাবে ধরেছিলেন যে উনি নিজেকে বন্ধন মুক্ত করতে পারলেন না। অন্যদিকে মহেশ এবং তার সহ পরিচালক ও দৌড়ে বিনোদের দিকে এগিয়ে যান। মহেশ সমানে ‘ কাট‘ কাট কাট চিৎকার করছিলন। অবশেষে বিনোধ মহেশের নির্দেশ শুনতে পান এবং ডিম্পলকে ছেড়ে দেন।

মহেশ এইরকম পরিস্থির জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। তারা দুজনেই অগে বিনোদের সঙ্গে কাজ করেছেন কিন্তু সেদিন বিনোদের যে কী হলো তা তাদের মাথায় কিছুতেই এলো না। ডিম্পল তো রাগ করে মুখে কিছু না বলে নিজের মেক আপ রুমে চলে যান। এই সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন মহেশ। ডিম্পল চলে যেতেই উনি বিনোদের মুখোমুখি হন। পরে উনি বিনোদকে দিয়ে ডিম্পলের কাছে ক্ষমাও চাওয়ান। ডিম্পলকে বোঝানো হয় এক সঙ্গে দুই শিফটে কাজ করছিলেন বলে বিনোড খুব ক্লান্ত ছিলেন‚ তাই একটু নেশা করেছিলেন। নেশার ঘোরে এবং যেহেতু বহুদিন পরে এমন দৃশ্য করছেন তার ফলে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এমনটা করে ফেলেছেন উনি।

যদিও এই ঘটনা কতটা সত্যি তাই নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ এই ঘটনার কথা তখনকার দিনে কোনো ম্যাগাজিনে বেরোয় নি। শুধুমাত্র একটা আঞ্চলিক ম্যাগাজিনে এই ঘটনার কথা বিস্তারিত বেরোয়। হতেই পারে সাংবাদিকরা এই ঘটনা বানিয়ে লিখেছিলেন। কিন্তু একবার ভাবুন তো এই ঘটনার যদি একাংশও সত্যি হয় তাহলে তা কীরকম লজ্জার কথা।

তথ্যসূত্রঃ কালের কন্ঠ

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 4 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)