JanaBD.ComLoginSign Up

জানা হবে অনেক কিছু, চালু হয়েছে জানাবিডি (JanaBD) এন্ডয়েড এপস । বিস্তারিত জানুন..
Internet.Org দিয়ে ব্রাউজ করুন আমাদের সাইট ফ্রী , "জানাবিডি ডট কম"

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স: হিরো থেকে জিরো

ক্রিকেট দুনিয়া 8th Dec 2016 at 2:49pm 217
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স: হিরো থেকে জিরো

তিনবারের বিপিএল চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক মাশরাফিকেও দলে ধরে রেখেছিল তারা। তিনবারের বিপিএল চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক মাশরাফিকেও দলে ধরে রেখেছিল তারা। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে। প্লেয়ার ড্রাফটে খেলোয়াড় নির্বাচন থেকেই বোঝা যাচ্ছিলো এবারের আসরেও বড় কিছুরই আশা ছিল তাদের।

পাশাপাশি তিনবারের বিপিএল চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক মাশরাফিকেও দলে ধরে রেখেছিল তারা। কিন্তু টানা পাঁচ ম্যাচ হেরে তাদের শুরুটা হয় দু:স্বপ্নের মত। শুরুর এই পিছিয়ে পড়া থেকে কুমিল্লার পক্ষে আর সম্ভব হয়নি অন্য দলগুলোর সাথে পাল্লা দেয়ার।

গতবার মাঝারিমানের কুমিল্লা দলকে চাম্পিয়ন করানোর ক্ষেত্রে অধিনায়ক মাশরাফির ছিল অগ্রণী ভুমিকা। চোটের কারনে তো বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলেছেন শুধুমাত্র 'অধিনায়ক' হিসেবেই। এই বছরও চোট নিয়েই খেলেছেন এবং শতভাগ উজাড় করে দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছেন।

চট্টগ্রাম পর্বের শেষের দিক থেকেই হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি নিয়ে খেলে গেছেন। শর্ট রান আপে নিয়েও নতুন এবং পুরনো বলে ধারাবাহিকভাবে দুর্দান্ত বলে করেছেন। ইনজুরি নিয়ে খেলা মাশরাফি সবসময় চেষ্টা করেছেন দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার। তবে মারলন স্যামুয়েলস, রশিদ খান এবং নাবিল সামাদ ছাড়া আর কেউই তাকে যোগ্য সমর্থন দিতে পারেননি।

টানা পাঁচটি ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্টের মাঝপথেই কুমিল্লার বিদায় একরকম নিশ্চিত হয়ে যায়। মালিকপক্ষ, ম্যানেজমেন্ট এবং খেলোয়াড়দের এরপর শুধুমাত্র সম্মান রক্ষার্থেই বাকি ম্যাচগুলোতে উপস্থিত হতে হয়।

কুমিল্লা ম্যাচ জিততে শুরু করেছিল এবং সেটা চ্যাম্পিয়নের মতই। তবে সেটা অনেক দেরিতে, যখন টুর্নামেন্ট থেকে তাদের বিদায় একরকম নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে কুমিল্লা যেভাবে হেসেখেলে জিতেছে, শুরুর দিক থেকে সেভাবে খেলতে পারলে গল্পটা অন্যরকম হতে পারতো।

কিছু ম্যাচ না খেলেও তিনটি ফিফটি সহ কুমিল্লার সেরা ব্যাটসম্যান মারলন স্যামুয়েলস। টপ অর্ডার এবং মিডল অর্ডারে দেশি-বিদেশিদের মধ্যে আর কেউই সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। সম্ভাবনাময় অনূর্ধ্ব উনিশ তারকা নাজমুল হোসেন শান্তকে দিয়ে ব্যাটিং অর্ডারে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালালেও তা সেভাবে কার্যকর হয়নি।

তবে, ব্যাটে বলে শান্ত যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন দলকে সাহায্য করার। ইমরুল কায়স ফর্ম ফিরে পান শেষদিকে এসে এবং তখন থেকে দলও ভাল খেলা শুরু করে। প্রথম দিকে ইমরুলের রানখরা কুমিল্লাকে বেশ ভুগিয়েছে।

বিপিএলে লিটন দাস পার করলেন আরো একটি হতাশাজনক বছর। ১১ ম্যাচ খেলে সাকল্যে মাত্র ৬৪ রানই বলে দিচ্ছে পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই তাকে রানের জন্য সংগ্রাম করতে হয়েছে। ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন করেলও তিনি রানের দেখা পাননি। এমনকি উইকেট কিপিংও ছিল সাধারন মানের। তার ধারাবাহিক ব্যর্থতা দলকে বেশ ভুগিয়েছে।

কুমিল্লার ব্যর্থতার পেছনে অন্যতম প্রধান একটি কারন ছিল একাদশ নির্বাচনে অধারাবাহিকতা। প্রথম পাঁচটি ম্যাচেই একাদশে ছিল একাধিক পরিবর্তন। বিশেষ করে বিদেশী খেলোয়াড় পছন্দের ক্ষেত্রে। এটা খুবই পরিষ্কার ভাবে বোঝা যাচ্ছিলো কুমিল্লা টিম ম্যানেজমেন্ট নিজেরাই বুঝতে পারছিলেন না তাদের সেরা একাদশ কোনটি!

গত আসরের সেরা খেলোয়াড় আশহার জাইদি এবার তেমন সুযোগই পাননি। অপরদিকে আট ম্যাচে ১৩ উইকেট নেয়া রশিদ খান বেশ কয়েকটি ম্যাচে সুযোগ পাননি দুর্বল দল নির্বাচনের ফলে।

আগামী বছর ভাল কিছু করতে হলে এবারের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সেভাবেই পদক্ষেপ নেয়া উচিত হবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। বিদেশী খেলোয়াড়দের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে দেশি খেলোয়াড় নির্বাচনে আরো মনোযোগ দেয়াটাই হবে মঙ্গলজনক।

এছাড়া বিদেশি খেলোয়াড়দের দলে ভেড়ানোর আগে তাদের নিয়ে নির্দিষ্ট পরিল্পনা করাটাও অত্যাবশ্যক। এবারের ভরাডুবির পর প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবুল এবং অধিনায়ক মাশরাফি আগামী আসরেও কুমিল্লার সাথে থাকেন কিনা সেটাই দেখার বিষয়।-খেলাধুলা


জানা হবে অনেক কিছু, চালু হয়েছে জানাবিডি (JanaBD) এন্ডয়েড এপস । বিস্তারিত জানুন..

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Manager
Like - Dislike Votes 7 - Rating 7.1 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)