JanaBD.ComLoginSign Up

Internet.Org দিয়ে ফ্রিতে ব্রাউজ করুন আমাদের সাইট :) Search করুন , "জানাবিডি ডট কম" পেয়ে যাবেন ।

দ্রাবিড়-জাহির মন্ত্রে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চোখ রাবাদার

ক্রিকেট দুনিয়া 19th Apr 2017 at 2:24pm 177
দ্রাবিড়-জাহির মন্ত্রে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চোখ রাবাদার

আইপিএলে এখনও অভিষেক হয়নি৷ তাতে কী? দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের সংসারে থেকে আইপিএলের স্বাদ চেটেপুটে নিচ্ছেন কাগিসো রাবাডা৷

কখনও বসে পড়ছেন মেন্টর রাহুল দ্রাবিড়ের ক্লাসে, কখনও আবার ক্যাপ্টেন জাহির খানের থেকে শিখে নিচ্ছেন পেস বোলিংয়ের খুঁটিনাটি৷ চোখ জুনে ইংল্যান্ডের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি৷

সেখানে পেসার হিসেবে সাফল্যের রহস্য কী, নীল নক্সা তৈরি৷ দিল্লিতে বসে ‘এই সময়’-কে একান্ত সাক্ষাত্‍কার দিতে গিয়ে রাবাডা শোনালেন, ‘ইংল্যান্ডে বল সুইং করবে৷ সেই সুযোগটা পেসারদের নিতে হবে৷ শুরুতে উইকেট তুলে নেওয়াটা হবে পেসারদের সাফল্যের চাবিকাঠি৷’
সঙ্গে যোগ করতে ভুললেন না, ‘অবশ্য ইংল্যান্ডের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া হবে যে কোনও টিমের প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ৷’

মজার ব্যাপার হল, আইপিএলের সৌজন্যে যাঁদের মন্ত্র নিয়ে রাবাডা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ঝাঁপিয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখছেন দু’জন আদ্যন্ত ভারতীয়৷ এক জন দিল্লির মেন্টর রাহুল দ্রাবিড়৷ অন্য জন ক্যাপ্টেন জাহির খান৷

দু’জনকে নিয়েই অন্তহীন মুগ্ধতা ২২ বছরের প্রোটিয়া পেসারের গলায়৷ যিনি অস্ট্রেলিয়া গিয়ে টেস্ট সিরিজে অজিদের হারিয়ে আসার পিছনে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম নায়ক৷ দ্রাবিড় নিয়ে যেমন বললেন, ‘ক্রিকেট জ্ঞান অসাধারণ দ্রাবিড়ের৷ যে কোনও রকম ম্যাচ সিচ্যুয়েশন নিয়ে অভিজ্ঞতা আছে৷ সেই পরিস্থিতিতে কী ভাবে রিঅ্যাক্ট করতে হয়, সেটা বুঝিয়ে দিতে পারেন৷’

আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরও জাহিরকে দেখে অবাক৷ রাবাডার সরল স্বীকারোক্তি, ‘জাহিরের ক্রিকেট বুদ্ধি দেখে আমি অবাক হয়ে গিয়েছি৷ ওর থেকে সব সময় শেখা যায়৷’

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুই ভারতীয়ের মন্ত্রে সাফল্যের স্বপ্নে বিভোর জোহানেসবার্গের তরুণের চোখ৷ অবশ্য তরুণই বা বলা কেন, ডেল স্টেইন-মর্নি মর্কেলের পর তাঁকেই তো দক্ষিণ আফ্রিকার পেস ব্যাটারির সেরা অস্ত্র বলা হচ্ছে৷

এ বার একটু লাজুক রাবাডা৷ গলায় সেই সুর, ‘এমনিতে দক্ষিণ আফ্রিকার ফাস্ট বোলিংয়ের একটা ঐতিহ্য আছে৷ স্টেইন, মর্কেলরা যেটা খুব ভালো ভাবে ধরে রেখেছে৷ পরের প্রজন্মে আমি আছি৷’
একটু থেমে যোগ করলেন, ‘তবে আমি একা নই, অনেক প্রতিভাবান পেসার উঠে আসছে৷ আমি ওদের লিডার হিসেবে নিজেকে ভাবছি না৷ তবে স্টেইনদের উত্তরসূরি হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার পেস অ্যাটাকে দায়িত্ব নিতে আমি প্রস্ত্তত৷’

আইপিএল আর দিল্লি তাঁর কাছে নতুন অভিজ্ঞতা৷ ভারতের রাজধানীর কথা উঠতেই রাবাডার গলায় বিস্ময়, ‘হোটেলে বসে ব্যাপারটা বোঝা যায় না, কিন্ত্ত বাইরে গেলে বুঝতে পারি শহরটা কী প্রাণবন্ত৷ কী ফাস্ট! সবাই ছুটছে৷’

আইপিএলে ভারতের উইকেট তাঁর কাছে আর একটা শিক্ষাও৷ এখানকার উইকেটে সে ভাবে পেসারদের সাহায্য করে না৷ তার উপর টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের খেলা৷

মাত্র আড়াই বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে দেড়শো উইকেট নিয়ে ফেলা রাবাডার বক্তব্য, ‘এটা সত্যি, এই ফর্ম্যাটে পেসারদের কেউ তেমন গুরুত্ব দেয় না৷ কিন্ত্ত দিল্লি ডেয়ারডেভিলসে অনেক ভালো ভালো পেসার রয়েছে৷ আমরা একে অপরকে সাহায্য করি, পাশে থাকি৷ আর টি-টোয়েন্টি যে ব্যাটসম্যানদের গেম, সেই মিথটা ভাঙার চ্যালেঞ্জ নিই৷’

এখনও বল করেননি৷ কিন্ত্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা কম নয়৷ ১৭ টেস্ট, ৩৪ ওয়ান ডে, ১৬ টি-টোয়েন্টির অভিজ্ঞতা রয়েছে৷ তা থেকেই রাবাডার বিশ্লেষণ, ‘আমার মনে হয়, ক্রিস গেইল আর এবি ডে ভিলিয়ার্স এই আইপিএলে সবচেয়ে বিপজ্জনক৷’

যখন ইন্টারভ্যু চলছিল, তখন সর্বোচ্চ রানের কমলা টুপি ছিল গৌতম গম্ভীরের মাথায়া৷ তাই এক সময় রাবাডা বলে উঠলেন, ‘তা হলে তো গম্ভীরই সবচেয়ে ডেঞ্জারাস ব্যাট?’ তারপরই সংযোজন, ‘না, না, আমি কথা ফিরিয়ে নিচ্ছি৷’

আসলে শুধু আইপিএলের বৃত্তে নিজেকে বেঁধে রাখছেন না রাবাডা৷ চোখ সামনে৷ সোজা কথায়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে৷

তথ্যসূত্রঃ অনলাইন

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 4 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)