JanaBD.ComLoginSign Up

Internet.Org দিয়ে ফ্রিতে ব্রাউজ করুন আমাদের সাইট :) Search করুন , "জানাবিডি ডট কম" পেয়ে যাবেন ।

কোথায় সেই লেগস্পিনার

ক্রিকেট দুনিয়া 20th Apr 2017 at 10:47am 405
কোথায় সেই লেগস্পিনার

শুরুতে দলে একজন বাঁহাতি পেসার খুঁজছিলেন তিনি। একদিন নেটে মুস্তাফিজকে বোলিং করতে দেখে তিনিই তুলে আনেন তাকে। এর পর তো সব ইতিহাস, ঠিক এভাবেই একজন অফস্পিনারের খোঁজে নেমেই পেয়ে যান মেহেদী হাসান মিরাজকে। এরপর নির্বাচকদের কাছে কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের চাওয়া ছিল একজন 'জেনুইন লেগস্পিনার'। কারণ, তার আগে একজনকে আবিষ্কার করেও সফল হননি কোচ। লেগস্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখনকে কয়েকটি ম্যাচ খেলানো হয়েছিল বটে, কিন্তু বড্ড বেশি খরুচে বোলার তকমা দিয়ে লিখনের নাম মুছে যায়! মাস পাঁচেক আগে হঠাৎই আবিষ্কার করা হয় আরেক লেগস্পিনার তানভীর হায়দারকে। নিউজিল্যান্ড সফরে তানভীর হায়দারকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন্স লীগে দলে রাখার আগ্রহেই! কিন্তু পেস-সহায়ক পিচে তানভীরের মতো লেগস্পিনার দুটি ওয়ানডে ম্যাচে বিনা উইকেটে ৬৭ রান দিয়েই বুঝে যান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কতটা চ্যালেঞ্জিং। 'চ্যাম্পিয়ন্স লীগে আমাদের লন্ডনের যে মাঠে খেলা, সেই কেনিংটন ওভালে কিন্তু পাটা উইকেট থাকে। সেখানে অনেক রান ওঠে। ওই ধরনের পিচে বোলিংয়ে বৈচিত্র্য থাকা দরকার। আমাদের মুস্তাফিজ আছে, মিরাজ আছে_ এখন দরকার একজন লেগস্পিনার', নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে একবার কথায় কথায় নিজের ইচ্ছাটি জানিয়েছিলেন কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।

কিন্তু তার সেই কাঙ্ক্ষিত লেগস্পিনার আর পাওয়া যায়নি। যে তানভীর হায়দারকে নিউজিল্যান্ড নিয়ে যাওয়া হলো, তাকে শ্রীলংকা সফরেই রাখা হয়নি। এখন শেখ জামালের হয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ খেলছেন তানভীর। কিন্তু দুটি ম্যাচের কোনোটিতেই উইকেট পাননি। আর জুবায়ের হোসেন লিখন তো মোহামেডানের হয়ে ম্যাচই খেলতে পারেননি! জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ খেলেছিলেন ২০১৫ সালের আগস্টে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট। ৬ টেস্টে ১৬ উইকেট পেয়েছিলেন লিখন। কিন্তু ৪৯৩ রান খরচ করাটা ঠিক মেনে নিতে পারেনি টিম ম্যানেজমেন্ট। লেগ স্পিনাররা অনেক সময় ফুলটস করে বসেন, যে কারণে লিখনকে অনেক ক্লাবই একাদশে রাখার সাহস দেখান না। এই অবস্থায় তানভীর বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিংও করতে পারেন বেশ। এবারের লীগেই ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে ৩১ আর রূপগঞ্জের বিপক্ষে ১৭ রান করেছেন। তাই তিনি একাদশে সুযোগ পান অলরাউন্ডার হিসেবেই। কিন্তু অনেকেই মনে করেন, তানভীরকে নিউজিল্যান্ড সফরে না নিয়ে লংকায় পরীক্ষা করা যেতে পারত। নিউজিল্যান্ড সফরে নিয়ে গিয়ে দুই ম্যাচে কোনো উইকেট না পেয়ে আত্মবিশ্বাস টলে গেছে তার।

এ অবস্থায় লেগস্পিনারের আশা ছেড়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে স্কোয়াড তৈরি করা হয়েছে বাড়তি এক পেস অলরাউন্ডারকে নিয়ে। ২৫ এপ্রিল আইসিসির কাছে স্কোয়াড পাঠানোর শেষ সময়। অবশ্য এরই মধ্যে স্কোয়াড বানিয়েও রেখেছেন নির্বাচকপ্রধান মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। সেখানে নতুন কোনো চমক নেই। নতুনদের নিয়ে কোনো ঝুঁকিতেও যেতে চান না তিনি আইসিসির মতো মেগা ইভেন্টে। অভিজ্ঞতার সঙ্গে বর্তমান সিরিজগুলোতে পারফরম্যান্স করা ক্রিকেটারদের নিয়েই দল গড়েছেন তিনি। 'স্কোয়াডে পরিবর্তনের খুব বেশি সুযোগ নেই। তামিম, সাকিব, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহকে বাদ দেওয়া যেতে পারে না। ইমরুল কায়েস, মুস্তাফিজ, মাশরাফি যে কি-না দলের অধিনায়ক_ তাকে ছাড়া দল হয় না। এমনকি সাবি্বর, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোসাদ্দেকদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদেরও বাইরে রাখা অসম্ভব। তাই দল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ নেই। ইংল্যান্ড আর আয়ারল্যান্ডের কন্ডিশন বিচার করেই আমরা স্কোয়াড তৈরি করেছি', মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর কথাতেই পরিষ্কার_ সদ্য-সমাপ্ত লংকা সিরিজের স্কোয়াডই থাকছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। তবে ইংল্যান্ড আর আয়ারল্যান্ডের কথা বিবেচনায় ১৫ জনের স্কোয়াডে পেসারের সংখ্যা বাড়তে পারে।

তথ্যসূত্রঃ অনলাইন

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 4 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)