JanaBD.ComLoginSign Up

Internet.Org দিয়ে ব্রাউজ করুন আমাদের সাইট ফ্রী , "জানাবিডি ডট কম"

নো বল নয় 'বুমরা বল'

ক্রিকেট দুনিয়া Mon at 10:43am 446
নো বল নয় 'বুমরা বল'

শারজায় শেষ বলে ছক্কা খাওয়া চেতন শর্মার জমে থাকা দুঃখ-যন্ত্রণা ভাগ করার জন্য এত দিনে কারো একটা আবির্ভাব ঘটল। ওভালের জস্প্রিত বুমরা!

চেতনের বলটা ছিল ফুলটস। পাকিস্তানের জিততে দরকার ছিল ৬। কোমরের উচ্চতায় আসা বল উড়িয়ে দেন মিয়াঁদাদ। আর ওভালে বুমরা এবং ভারতের অভিশপ্ত ডেলিভারি হয়ে থাকল একটি ‘নো বল’।

ওভালে অবশ্য পাকিস্তান রান তাড়া করছিল না, টস জিতে তাদের প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান কোহালি। শুরুতেই সাফল্য এলো। বুমরার বলে ধোনির হাতে খোঁচা দিয়ে ফিরে যাচ্ছেন ফখর জামান।

কিন্তু জায়ান্ট স্ক্রিন দেখাল বুমরা ‘নো বল’ করেছেন। জামান তখন ৭ বলে ৩। পাকিস্তান ৩ ওভারে ৭-১ হয়ে যায়। সেই যে বাঁচলেন বাঁ-হাতি ওপেনার, থামলেন ১০৬ বলে ১১৪ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলে। প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি। আর সেটা এলো কি না ফাইনালে ভারত-পাক ম্যাচে। কী অসাধারণ এক আবির্ভাব!

ভারতের কাছেই প্রথম ম্যাচে বিধস্ত হওয়ায় নামকরণ হয়েছিল, ‘প্যানিকস্তান’।

রোববারের পরে ‘নো বলের’ নাম পাল্টে নাকি রাখা হবে ‘বুমরা বল’!

ক্লাইভ লয়েড পর্যন্ত লাঞ্চের সময় বলেন, বুমরার ‘নো বল’টাই টার্নিং পয়েন্ট হয়ে থাকল। নিশ্চয়ই বুমরা একা ম্যাচ হারাননি। এমন মহাতারকা ব্যাটিংও তো ফাইনালে টেক-অফই করল না। টস জিতে ফিল্ডিং নেয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ২০০৩ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ ফাইনালে টস জিতেও অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠান সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানেই ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। টসের হিসেব ওলটপালট করে দিল বিরাটের ভাগ্যও।

তবু টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে থেকে যাবে বুমরার ‘নো বল’টাই। যেমন ছিল ওয়াংখেড়েতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেন্ডল সিমন্সকে সে দিন শুরুতেই আউট করেছিলেন অশ্বিন। এ দিনের মতোই রিপ্লে দেখিয়েছিল, ‘নো বল’ হয়েছে। সে দিন সিমন্স ম্যাচ নিয়ে চলে যান। এ দিন নিয়ে গেলেন জামান।

১৯৮৬-র শারজায় সেই শেষ বলের ছক্কা নিয়ে আজও কথা শুনতে হয় চেতন শর্মাকে। ১৮ জুন, ২০১৭-ও তাড়া করে বেড়াবে বুমরাকে।

তথ্যসূত্রঃ নয়া দিগন্ত

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 2 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)