JanaBD.ComLoginSign Up

হোটেলের নাম সিভেঞ্চার্স

দেখা হয় নাই 18th Apr 2016 at 9:17pm 189
হোটেলের নাম সিভেঞ্চার্স

সাধারণত তেল উত্তোলনকারী যন্ত্রের কার্যক্ষমতা শেষ হয়ে গেলে তা পরিত্যক্ত বলেই ধরে নেওয়া হয়। তবে মালয়েশিয়ার সাবাহ প্রদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সমুদ্র উপকূলে এ রকম পরিত্যক্ত তেল উত্তোলনকারী যন্ত্র মেরামত করে বানিয়ে ফেলা হয়েছে আস্ত একটি হোটেল।

সিঙ্গাপুরের একটি শিপইয়ার্ডে যন্ত্রটি ভেঙে ও মেরামত করে হোটেলে রূপ দেওয়া হয়। এর নাম দেওয়া হয়েছে 'সিভেঞ্চার্স ডাইভ রিং'।

ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট থেকে শুরু করে সব রকম আধুনিক সুযোগ-সুবিধাই পাবেন এখানে। হোটেলটির অবস্থান সমুদ্রের মধ্যে হওয়ায় নৌকায় বা স্পিডবোটে করেই পৌঁছতে হয়। এখানে পাবেন সিনেমা হল, লাউঞ্জ, পুল ও টেবিল টেনিস খেলার ব্যবস্থা এবং উপহারসামগ্রীর দোকান। একটি সম্মেলনকেন্দ্রও আছে। যেখানে একসঙ্গে বসতে পারেন ৬০ জন মানুষ। এর পাটাতনটি একসময় হেলিপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এই পাটাতনে দাঁড়িয়েই এখন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখতে পায় পর্যটকরা।

হোটেলে অতিথিদের জন্য আসবাব দিয়ে সাজানো আছে ২৭টি ঘর। খাবারদাবারের ব্যবস্থাও আছে বেশুমার। এ ছাড়া প্রতি সপ্তাহেই আয়োজন করা হয় বারবিকিউ পার্টির। অবস্থান প্রবালপ্রাচীরের ওপর, তাই সমুদ্রের নিচের অসাধারণ সৌন্দর্য পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে খুব সহজেই দেখা যায়। তবে এটা সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে ডাইভারদের।

পাটাতন থেকে সেলেবেল নামের এই সাগরে ঝাঁপ দেওয়ামাত্র ডাইভারদের ছেঁকে ধরে বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। কখনো তিমি মাছও খুব কাছ দিয়ে চলে যায়। তবে খুব বেশি সৌভাগ্যবান হলেই কেবল এ রকম দৃশ্য দেখা সম্ভব। তা ছাড়া স্কুবা ডাইভাররা এখানে লিফটে করে নিচে নেমে সরাসরি সাগরের মধ্যে যেতে পারে। সিভেঞ্চার্সের মতো এমন অদ্ভুত ডাইভ রিসোর্ট পাবেন না দুনিয়ার আর কোথাও। তবে এটি স্থায়ীভাবে এখানে থাকবে কি না সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি এখনো।

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 8 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)