JanaBD.ComLoginSign Up
জানা হবে অনেক কিছু, চালু হয়েছে জানাবিডি (JanaBD) এন্ডয়েড এপস । বিস্তারিত জানুন..
Internet.Org দিয়ে ব্রাউজ করুন আমাদের সাইট ফ্রী , "জানাবিডি ডট কম"

কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ পরিস্থিতি!

অর্থনীতি খবর 23rd May 2016 at 2:26pm 284
কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ পরিস্থিতি!

আর মাত্র ১৫ দিন পর সংযমের মাস মাহে রমজান। এই মাসকে ঘিরে বেশকিছু পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। আর চাহিদার সঙ্গে সরবরাহের ভারসাম্যের কথা বলে কোনো কোনো অসাধু ব্যবসায়ী বেশি মুনাফা করতে চায়।

অতিরিক্ত মুনাফার যাঁতাকলে পড়ে সাধারণ ভোক্তা। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবারের মতো এবারো আশ্বস্ত করা হয়েছে, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। তাদের যুক্তি হচ্ছে, চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। এবার দেখা যাক সরকারের খাতায় অর্থাৎ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাগজ কলমে কি পরিমাণ মজুদ রয়েছে।

ভোজ্য তেল:দেশে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিকটন ভোজ্য তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অপরিশোধিত ও পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি করে চাহিদা পূরণ করা হয়।

প্রতিমাসে গড়ে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিকটন সয়াবিন ও পাম তেলের চাহিদা ছাড়াও রমজান মাসে ও কোরবানির সময় বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়।

গত বছরের শুরু থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের বাজার স্থিতিশীল।

যে কারণে দাম কিছুটা কম হওয়ার ফলে দেশের বাজারেও স্থিতিশীল রয়েছে। ভোক্তার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত ভোজ্যতেল দেশে এসেছে ১৯ লাখ ১৯ হাজার মে. টন। আর চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত দেশে এসেছে ১৮ লাখ ৯০ হাজার মে. টন।

চিনি:বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ লাখ মে. টন পরিশোধিত চিনির চাহিদা রয়েছে। গত ৩ বছর যাবত আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত চিনির মূল্য নিম্নমূখী।

যে কারণে এর প্রতিফলন ঘটেছে দেশের বাজারে। বর্তমানে মজুদ পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত চিনি এসেছে ১৭ লাখ ৯৪ হাজার মে. টন।

চলতি অর্থবছরে এপ্রিল পর্যন্ত চিনি এসেছে ১২ লাখ ৭৪ হাজার মে. টন। বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ২০ হাজার মে. টন।

মশুর ডাল:দেশে মশুর ডালের চাহিদা ৩ লাখ ৭৫ হাজার মে. টন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার মে. টন। বাকি চাহিদা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে মশুর ডাল এসেছে ১ লাখ ৯২ হাজার মে. টন। চলতি অর্থবছরে এপ্রিল পর্যন্ত মশুর ডাল এসেছে ১ লাখ ৪৬ হাজার মে. টন। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে মশুর ডালের মূল্য বৃদ্ধি প্রবণতা রয়েছে। এর প্রভাব দেশের বাজারেও কিছুটা পড়েছে।

ছোলা (আস্ত):দেশে ছোলার চাহিদা প্রায় ৬০ হাজার মে. টন। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন হয় ৭ হাজার মে. টন। বাকি প্রায় ৫০ হাজার মে. আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করতে হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ডালসহ ছোলা দেশে এসেছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার মে. টন। চলতি অর্থবছরে এপ্রিল পর্যন্ত ছোলা এসেছে ২ লাখ ৬৫ হাজার মে. টন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে ১ লাখ ৪৯ হাজার মে. টন আস্ত ছোলার এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলার দাম কিছুটা বাড়তির দিকে। যে কারণে দেশের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। এর পাশাপাশি রমজানকে ঘিরে আস্ত ছোলার চাহিদা কিছুটা বেড়ে যায়।

খেজুর:দেশে প্রায় ১৫ হাজার মে. টন খেজুরের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র রমজান মাসে খেজুরের চাহিদা প্রায় ১৩ হাজার মে. টন। চলতি অর্থবছরে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে খেজুর এসেছে ২৭ হাজার ৩০০ মে. টন।

পেঁয়াজ:দেশে প্রায় ২২ লাখ মে. টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। আর প্রতি মাসে এর চাহিদা গড়ে ১ লাখ ২০ হাজার মে. টন। রমজান মাসে ও কোরবানির ঈদের সময় বাড়তি চাহিদার কারণে কিছুটা চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে ১৭ লাখ ৪ হাজার মে. টন পেঁয়াজ দেশে উৎপাদন হয়।

বাকিটা ভারত থেকে আমদানি করা হয়। যে কারণে ভারতে পেঁয়াজের উৎপাদন ও আমদানির মূল্যের ওপর বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজার মূল্য অনেকাংশে নির্ভর করে। গত বছর ভারতে অতি বৃষ্টির কারণে পেঁয়াজের উৎপাদন কমে যায়।

যে কারণে সে সময় আমাদের দেশে পেঁয়াজের দাম অনেক বেড়ে যায়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৬ লাখ ২৬ হাজার মে. টন দেশে পেঁয়াজ আসে। চলতি অর্থবছরে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে পেঁয়াজ এসেছে ৫ লাখ ৭৯ হাজার মে. টন।

রসুন:দেশে প্রায় ৫ লাখ মে. টন রসুনের চাহিদা রয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে উৎপাদন হয়েছে ৪ লাখ ৬৫ হাজার মে. টন। চলতি অর্থবছরে এপ্রিল পর্যন্ত রসুন আমদানি হয়েছে ৪০ হাজার মে. টন। আন্তর্জাতিক বাজারে রসুনের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আদা:বাংলাদেশে প্রায় ৩ লাখ মে. টন আদার চাহিদা রয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে আদার উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মে. টন। একই সঙ্গে আমদানি হয়েছে ৬২ হাজার মে. টন। চলতি অর্থবছরে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে এসেছে ৭২ হাজার মেঃ টন।

জানা হবে অনেক কিছু, চালু হয়েছে জানাবিডি (JanaBD) এন্ডয়েড এপস । বিস্তারিত জানুন..

Googleplus Pint
Noyon Khan
Manager
Like - Dislike Votes 12 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)