JanaBD.ComLoginSign Up

দিনে মাত্র কয়েক মিনিট পায়ের ছোট্ট একটি ব্যায়াম করে পেয়ে যান ম্যাজিকাল সুফল !

সাস্থ্যকথা/হেলথ-টিপস 29th May 2016 at 5:32pm 445
দিনে মাত্র কয়েক মিনিট পায়ের ছোট্ট একটি ব্যায়াম করে পেয়ে যান ম্যাজিকাল সুফল !

মাঝে মাঝে আধুনিক চিকিৎসা হার মানে বহু আগে থেকে প্রচলিত নিয়মের কাছে। কিংবা, অনেক আধুনিক চিকিৎসা আবিষ্কার হলেও মানুষের কাছে কিছু নিয়ম কানুন সবসময়ই জনপ্রিয় থাকে। আপনি কি কখনো আপনার পায়ে থাকা LV3 আকুপ্রেশার পয়েন্টের কথা শুনেছেন? এটি আপনার পায়ের অংশ।

আসুন, প্রথমে জেনে নেয়া যাক, LV3 পয়েন্ট কোনটি। আপনার পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি এবং তার পাশের আঙ্গুলের সন্ধিস্থল থেকে কিছুটা পেছনে যেখানে গিয়ে হাড়ের সন্ধি শুরু হয়েছে সেই জায়গাটাকেই LV3 পয়েন্ট বলা হয়। ভালো হয় আপনি, ছবিটি লক্ষ্য করলেই। এতে আপনি সহজেই ধারনা পেয়ে যাবেন পয়েন্টটি সম্পর্কে।


প্রতিদিন ৫ মিনিট করে এই পয়েন্টটি চাপুন। এভাবে ৩ সপ্তাহ করার পর আপনি নিজের নিজের দেহের পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন। এই অংশটি চাপার ফলে আপনার দেহে যে জাদুকরী পরিবর্তন হতে পারে তা কিছুটা নিন্মরুপঃ

ব্যাথা থেকে মুক্তি মেলায় এটি। কেননা, LV3 পয়েন্ট সরসরি পেছন অব্দি যুক্ত তাই এই অংশে চাপ দেয়ার মাধ্যমে আপনি শরীরের যাবতীয় ব্যাথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এটি আপনার হাড়ের জয়েন্টের ব্যাথার হার কমিয়ে দিবে। অনেক নারী, মাসিক ঋতুস্রাবে প্রচন্ড ব্যাথা সহ্য করেন। তাদের জন্য LV3 পয়েন্টে নিয়মিত চাপ দেয়া একটি বেশ উপকারী কাজ।
LV3 পয়েন্টে চাপ দেয়ার এই পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে আপনি দেহের ক্লান্তি থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এটি একদিক থেকে আপনার ক্লান্তিভাব দূর করে চাঙ্গা করে তুলবে আর অন্য দিক থেকে আপনার মনোযোগ বৃদ্ধির কাজটি তো করবেই!
নিয়মিত এই কাজটি করলে আপনার দেহের মেটাবলিক হার বৃদ্ধি পাবে। যা নিশ্চয়ই আপনার দেহের জন্য অত্যাধিক কল্যাণকর।
এটি আপনার হজমক্রিয়াকে খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। এবং পরিপাকজনিত যে কোন সমস্যা থেকে মুক্ত রাখবে আপনাকে।
দিনে খুব বেশি হলে ২ থেকে ৫ মিনিট ব্যয় হবে আপনার এই কাজটি করতে। কিন্তু ফলাফলে যা পাবেন তা নিশ্চয়ই অবিশ্বাস্য। নিজের জন্য তো কতই কিছুই করলেন, সুস্থ থাকতে তো কত চিকিৎসাই গ্রহন করলেন। এবার না হয় একটু আদিম চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহন করেই দেখুন। হয়ত বেশ উপকার পাবেন।

“আকুপ্রেশার থেরাপি” সম্পর্কে আরও জানুন

এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক চিকিৎসা। কোন প্রকার ঔষধ ছাড়াই, বলা যায়, নি:খরচায় রোগ নিরাময়ের একটি সহজ পদ্ধতি। বাংলাদেশে এই চিকিৎসা পদ্ধতিটি পরিচিত হয়ে উঠছে স্বচিকিৎসা নামে। অপরদিকে, আধুনিক বিশ্বে এই চিকিৎসাটি পরিচিত আকুপ্রেশার নামে।
এই পদ্ধতিতে কোনরূপ যণ্ত্রপাতি ছাড়াই প্রারম্ভিক অবস্থাতেই সঠিকভাবে রোগ সনাক্ত করা যায়। এই পদ্ধতি বিজ্ঞানসম্মত, যুক্তিসম্মত, পরীক্ষিত ও প্রমাণিত। এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কতৃক স্বীকৃত।
এর আরেকটি নাম হচ্ছে রিফ্লেঙোরজি।সাধারনভাবে মনে করা হয় যে, এটি একটি প্রাচীন চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি। এর কারন হচ্ছে, আকুপ্রেশার শব্দটি এসেছে চীনা চিকিৎসা আকুপাংচার শব্দটি থেকে। কিন্তুে ইতিহাস পর্যালোচনা ও গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে ভারতবর্ষে এই চিকিৎসা পদ্ধতিটির প্রচলন ছিল।
অনুমান করা হয় প্রাচীন ভারতীয় যোগী-মুনি-সন্ন্যাসী অথ্যাৎ, আধ্যাত্মিক সাধকগন রোগ নিরাময়ের উপায় হিসেবে মানুষকে এই পদ্ধতিটি শিখিয়েছিলেন। মিশরসহ প্রাচীন বিশ্বের আরও অনেক স্থানে এই পদ্ধতিটি প্রয়োগের প্রমান পাওয়া যায়।

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 4 - Rating 5 of 10
Relatedআরও দেখুনঅন্যান্য ক্যাটাগরি

পাঠকের মন্তব্য (0)